*শরৎচন্দ্রের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল সামতাবেড়ে, দেউলটি স্টেশনের নামকরণের দাবি*

এস ইয়াসমিন : কলকাতা: কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সামতাবেড়ের বাসভবনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করল স্বজন সাহিত্য সংস্থা।অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মিত্র। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন ডঃ চন্দ্রচূড় গোস্বামী। তাঁকে বরণ করে নেন সংস্থার সহ-চেয়ারম্যান কবি সৈকত পাঠক। সকল অতিথিকে বরণ করেন সভাপতি প্রসূন কুমার মিত্র।অনুষ্ঠানের শুরুতে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন 'খোলা জানালা'র কর্ণধার ডঃ দীপা দাস ও তাঁর সদস্যরা।
এরপর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন ডঃ চন্দ্রচূড় গোস্বামী, ডঃ রঞ্জিত দাস, ডঃ আকবর আলি শাহ, অসিত মিত্র ও বিলু দোলুই। অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ, সংগীত নৃত্য পরিবেশন এবং শরৎ এঁকে আনো প্রতিযোগিতার ও সাহিত্য লোক পত্রিকার সার্ধশতবর্ষের শরৎ বাবু সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এদিন কবিতা পাঠে প্রত্যেক কবিকে পল্লীসমাজ সম্মানে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে কবিতা ও গল্প পাঠ করেন মধুসূদন বাগ, প্রণবেন্দু বিশ্বাস, সন্দীপ দোয়াসী, মাফুজ রহমান মিদ্দে, অরুণাভ বীর, নন্দন জানা, তন্ময় রানা, কেতকী মির্জ্জা সহ সারা বাংলার শতাধিক কবি-সাহিত্যিক। এদিন বিশিষ্ট কবি কেতকী মির্জাকে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। দাদানৃত্য পরিবেশন করেন তাপস দে ও সোমালি পতি। সঙ্গীত পরিবেশন করেন অর্চনা ঘোষ ও উমা সিনহা।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মিনাক্ষী হাজরা, পঞ্চায়েত সদস্য নবাব মল্লিক, রত্ন কৃষ্ণ বসু সহ বহু সাংবাদিক। অনুষ্ঠানে সংস্থার সম্পাদক চন্দ্রনাথ বসু বলেন, "শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর নামে দেউলটি স্টেশনের নামকরণ হোক, এটাই আমাদের দাবি।"
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হেমন্ত রায়। শেষে সকল অতিথিকে চারাগাছ উপহার দেন পাপিয়া বসু ও মৌলভি মিশ্র।