পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট সিমেন্ট কারখানার নালার কাছে ধর্ষণ করে খুন করা হলো এক মধ্যবয়সী মহিলাকে।
এ নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মহিলা নির্যাতন, ধর্ষণ, খুনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। নতুন সরকারের সাড়ে চার মাস হতে না হতেই শুধু এই সেপ্টেম্বর মাসেই ১৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো।
" সকালে ধরে বিকেলে খালাস"।
চটুকদারি স্লোগান কিন্তু এখন হাটে বাজারে ঘোরাফেরা করছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আরো বেড়েই চলেছে ।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির বেশির ভাগই যে ধর্ষণের ঘটনার তালিকা, প্রথম সারিতে উঠে আসছে তা ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলিতে স্পষ্ট হয়েছে। তথ্য বলছে ভারতে ২৮ টি রাজ্য এবং আটটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ধরলে ২০২৩ সালের হিসেবেই প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মামলা গোটা দেশের নথিভুক্ত।
আর গত সাড়ে চার মাসেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে যেভাবে ধর্ষণের ঘটনা বাড়তে বাড়তে ১০০ ছুঁতে চলেছে। তাতে চূড়ান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
পটাশপুর -২ ব্লকের টনিয়াবিলা গ্রামের বৌমা শাশুড়িকে ধর্ষণের চারজন ধর্ষণকারী পলাতক বলে শোনা যাচ্ছে। পুলিশ ধরতে পারছে না। প্রথমে উড়িষ্যা পরে ছত্রিশগড়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
ওই ঘটনার ঘটনার দুদিন আগে কোলাঘাট থানার অন্তর্গত রক্ষাচক গ্রামে। কোলাঘাট থানার পুলিশ দেহটিকে উদ্ধার করে তমলুক হাসপাতালে পোস্টমটমে পাঠান। গলায়,হাতে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ তদন্ত করে মলয় পাত্র নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। মহিলাটির নাম শিবানী ধাড়া বয়স ৪৫ স্বামী ঝন্টু। শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের ডিমারি এলাকার মহিষদা গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনা ক্রমে ওই মহিলা এবং মলয় পাত্র এলাকার একটি দোকানে একসঙ্গে কাজ করতেন। কিন্তু এই মর্মান্তিক ঘটনা জানার পর এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহিলা নেত্রী রিতা দত্ত, পার্টি জেলা নেতা চিত্ত খান সহ সিপিআইএমের অন্যান্য নেতৃত্বগন।
এর আগে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি আর এখন মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মহিলারা নিরাপত্তা অভাব বোধ করছেন মহিলারা।
পুলিশ প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।পুলিশের তদন্তকে আরও সক্রিয় করতে হবে। এই ঘটনায় এক বা একাধিক ব্যক্তি যুক্ত থাকলে তাদেরও অ্যারেস্ট করতে হবে এবং যথাযোগ্য শাস্তি নিতে হবে, এ জেলায় প্রতিনিয়ত এই ঘটনা ঘটে চলেছে মূলত প্রশাসনিক দৃঢ়তার অভাবে।