বাবার প্যারালাইসিস হওয়ার পর বদলে যায় পরিবারের পরিস্থিতি। কিন্তু তিন বোন তাঁদের স্বপ্নকে পিছনে ফেলে রাখেননি।

গোরখপুরের বর্তিকা, বন্দিতা ও অবন্তিকা হাল ছেড়ে দেওয়ার বদলে নিজেদের পথ নিজেরাই তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন।

2017 সালে তাঁদের বাবা প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণ করাও তাঁদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তিন বোন পড়াশোনা ও পরিশ্রম কোনওটাই বন্ধ করেননি।

তাঁরা তিনজন মিলে 8,000 টাকা জোগাড় করে DDU গোরখপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে একটি ছোট চায়ের দোকান শুরু করেন। দোকানের নাম দেন Believer Bistro।

সকাল 7টা থেকে সন্ধ্যা 7টা পর্যন্ত তাঁরা দোকান চালান। চা ও ম্যাগি বিক্রি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে নিজেদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু তাঁদের পরিশ্রম এখানেই শেষ নয়। দোকান বন্ধ করার পর তিন বোন রাত 2টো পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।

বর্তিকার স্বপ্ন DM হওয়া। বন্দিতা IPS অফিসার হতে চান এবং অবন্তিকার স্বপ্ন IAS হওয়ার।

হয়তো স্বপ্নের সবচেয়ে সুন্দর দিক এটাই—তাকে পূরণ করার জেদ থাকলে, ছোট্ট একটি শুরু একদিন বড় লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

এই তিন বোনকে উৎসাহ দিতে আপনি কী বলবেন?